মৌলভীবাজার জেলা ভ্রমণ
--------------------------✒️📝কামরান চৌধুরী
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্য মন্ডিত জেলা মৌলভীবাজার। বৈচিত্রময় চারপাশে, দৃষ্টি নন্দন চা বাগান, আদিবাসীদের সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আপন মহিমায় জেলাটি অনন্য। এখানে রয়েছে অনেক পর্যটক আকর্ষণীয় ভ্রমণ ও ঐতিহাসিক স্থান। এর মধ্যে - বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, হযরত শাহ মোস্তফা (র:) এর মাজার শরীফ, ৯২ টি চা বাগান, চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, পৃথিমপাশা নবাববাড়ী, মনু ব্যারেজ, মাধবপুর চা-বাগান লেক, মাধবকুণ্ড, মনিপুরী পল্লী, কমলা/লেবু/আনারস বাগান, পাহাড়, টিলা, হাওড় ও বিলের সমাহার।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান- কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বাংলাদেশের যে ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যান আছে তার মধ্যে লাউয়াছড়া অন্যতম। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। ১২৫০ হেক্টর আয়তন বিশিষ্ট এ উদ্যানটিকে প্রাকৃতিক জাদুঘর বলা হয়। বিভিন্ন প্রকার গাছগাছালি, পশুপাখিতে ভরপুর। জীব বৈচিত্রে ও সৌন্দর্যের অন্যতম স্থান। উদ্যানটি দেশে ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট হিসেবে খ্যাত।
মাধবপুর লেক- মাধবপুর লেক কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। উপজেলা সদরে থেকে মাধবপুর লেকের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। ১৯৬৫ সালে চা বাগানের টিলায় বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে এই লেক তৈরি। ৫০ একর আয়তনের মাধবপুর হ্রদের দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটার এবং স্থান বিশেষে প্রস্থ ৫০ থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত। লেক ঘিরে আছে ছোট বড় পাহাড় ও টিলা। সুদৃশ্য চা বাগান। লেকের শোভা বাড়ায় সাদা ও নীল পদ্ম ফুল। শীতকালে অনেক অতিথি পাখিও আসে।
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত- বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত মাধবকুন্ড বাংলাদেশের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের রেস্টহাউজ ও রেস্টুরেন্ট এবং ২৬৭ একর এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে মাধবকুন্ড ইকোপার্ক। অনিন্দ্য সুন্দর এই জলপ্রপাত প্রায় ১৬২ ফুট উঁচু। ইকোপার্কে আরো আছে শ্রী শ্রী মাধবেশ্বরের তীর্থস্থান, চা বাগান, খাসিয়া পল্লী, কমলা, লেবু, সুপারী ও পানের বাগান। জুম চাষও দেখা যায়।
চা বাগান- চা-বাগানের জন্য বিখ্যাত মৌলভীবাজার জেলা। শ্রীমঙ্গলকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয়। জেলায় ৯২ টির মত চা বাগান রয়েছে। ৪৫০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের শ্রীমঙ্গলের চা বাগানের নজরকাড়া সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন অনেক পর্যটক আসেন। মাইলের পর মাইল পর্যন্ত চা বাগান যেন পাহাড়ের ঢালে সবুজ গালিচা। বাংলাদেশের সবচেয়ে উন্নত মানের চা শ্রীমঙ্গলেই উৎপন্ন হয়ে।
‘চা-কন্যা’- শ্রীমঙ্গলের প্রবেশ পথে এই ভাস্কর্য পড়ে। ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে সাতগাঁও চা-বাগানের সহায়তায়। ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্যের সামনে থেকেই বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে সাতগাঁও চা-বাগান।
পরিকুন্ড জলপ্রপাত- বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত বিস্ময়কর এই জলপ্রপাত মাধবকুন্ড ঝর্ণা থেকে মাত্র ১০/১৫ মিনিটের পায়ে হাটা দূরত্বে অবস্থিত। গভীর বন ও প্রচারণা না থাকায় ১৫০ ফুট উচু খাড়া পাহাড় হতে নেমে আসা পানির ধারা দেখতে খুব বেশি পর্যটকের চলাচল নেই। তবে অপ্রচলিত সবুজ বৃক্ষঘেরা এই জলপ্রপাতের বুনো সৌন্দর্যের কোন কমতি নেই।প্রকৃতির নৈসর্গিক নিরবতায় জলপ্রপাতের দৃশ্য উপভোগ করার জন্য পরিকুন্ড জলপ্রপাত অনন্য এক স্থান।
হাইল হাওর- জেলা সদর ও শ্রীমঙ্গলে জলাভূমির নাম হাইল হাওর। ১৪ টি বিল ঘেরা হাইল হাওরের সর্বমোট আয়তন প্রায় ১০ হাজার হেক্টর। প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকার কারণে স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত। হাওড়ের বুকে প্রকৃতিকে উপভোগ করতে সারাদেশের ভ্রমণকারীরা এই ভূস্বর্গে ছুটে আসেন। সৌন্দর্যের পাশাপাশি জীববৈচিত্র রয়েছে। ৯৮ প্রজাতির মাছ ও প্রায় ১৬০ প্রজাতির পাখির বিচরণ লক্ষ করা যায়।
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ- শ্রীমঙ্গলের থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ অবস্থিত। ১৯৭১ সালের হালকা একটি মেশিনগান নিয়ে জীবন বাজি রেখে হামিদুর রহমান একাই দুইটি পাকিস্থানি যুদ্ধ ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেন। যুদ্ধরত অবস্থায় এই বীর সন্তান শত্রুদের পাল্টা আক্রমনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তাঁর আত্নত্যাগের কয়েকদিনের মধ্যেই ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
বাইক্কা বিল- শ্রীমঙ্গল থেকে ২০ কিমি দূরে হাইল হাওরের পূর্ব পাশে অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল অবস্থিত।এটি মৎস্য অভয়াশ্রম । নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য আর হাজার হাজার পাখির কলতানে মুখরিত বাইক্কা বিল। বর্তমানে হাওরটি ৮০ প্রজাতির মাছ, ১৮ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ এবং প্রায় ১৬০ প্রজাতির পাখির নিরাপদ আবাসস্থল। নানা ধরনের জলজ উদ্ভিদ ও জীব বৈচিত্রে। দর্শনার্থীদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার সুবিধার্থে আছে দ্বিতল অবজারভেশন টাওয়ার।
মনিপুরী পল্লী:মনিপুরীদের অন্যতম আবাসস্থল আদমপুর ও মাধবপুর। পাহাড়-পর্বত এবং অরণ্য ভূমি নয়নাভিরাম দৃশ্যাবলী মানুষের মনকে যতটা আকৃষ্ট করে তার চেয়েও বেশী আকৃষ্ট করে মনিপুরীদেরজীবন প্রণালী। মনিপুরীদের রয়েছে উন্নত সংস্কৃতি। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে অগ্রহায়ণের শুরুতে মনিপুরী পল্লীতে বসে আকর্ষণীয় রাস মেলা। রাস মেলায় দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য দর্শণার্থী আসেন। দর্শণার্থীরা এ সময় ক্রয় করতে পারেন মনিপুরী শাল, চাদর, শাড়ী, সেলোয়ার-কামিজ, ব্যাগ, ফতুয়া, পঞ্জাবী ইত্যাদি। মাধবপুরে রয়েছে একটি মনিপুরী সাংস্কৃতিক একাডেমী।
মনু ব্যারেজ:১৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ মনু নদী ৯৩ কিলোমিটার ভাতীয় এলাকা অতিক্রম করে এ জেলার গোবিন্দপুর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বন্যার প্রকোপ থেকে কুলাউড়া, কমলগঞ্জ, রাজনগর ও মৌলভীবাজার উপজেলার ৫৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষায় মনু ব্যারেজ তৈরী করা হয়।
মসজিদুল আওলিয়া খাজা শাহ মোজাম্মেল হক (রহ:) - বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম! শ্রীমঙ্গল সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দূরে বালিশিরা পাহাড়ের মহাজিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত। সমতল থেকে প্রায় ৭০-৮০ ফুট পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপিত মসজিদটিতে যেতে ১৩৯টি সিড়ি পার হতে হয়।
রহস্য-রোমাঞ্চে ভরা বড়লেখার পাথারিয়া পাহাড়- পাথারিয়া পাহাড় রহস্য-রোমাঞ্চে ভরা । পদে পদে অজানার হাতছানি । অবস্থান মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় । আদি নাম আদম আইল। এই পাহাড়ের পানি পড়ে তৈরি হয়েছে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত।
পৃথিমপাশার জমিদার বাড়ি- কুলাউড়ায় কয়েকশ’ বছরের পুরনো কারুকার্যসমৃদ্ধ স্থাপনা পৃথিমপাশা জমিদার বাড়ি। জেলা সদর থেকে ৩৫ কিমি দূরে ৩৫ একর জায়গাজুড়ে সুবিশাল সাজানো-গোছানো জমিদার বাড়িটির স্থাপত্য শিল্পের কারুকার্য এখনও নজর কাড়ে। আছে ইমামবাড়া, শান বাঁধানো ঘাটসহ সুবিশাল দীঘি।
মণিপুরী পল্লী- শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে কমলগঞ্জ উপজেলায় আদমপুর ইউনিয়নে আদিবাসী মনিপুরী সম্প্রদায়ের কাপড়ের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে মণিপুরী পল্লী। মনিপুরীরা কাপড়ের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে। নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কারণেও মনিপুরীদের সুখ্যাতি ছড়িয়ে আছে বিশ্বব্যাপী। পর্যটকদের কাছে শ্রীমঙ্গলের পাহাড়, চা বাগান এবং অরণ্য ভূমির নয়নাভিরাম দৃশ্যের পাশাপাশি মণিপুরীদের জীবন ব্যবস্থা ও সংস্কৃতি বেশ উপভোগ্য। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী নাচ, রাস মেলা উল্লেখযোগ্য। মাধবপুরে মনিপুরী পল্লীর সাথেই আছে মণিপুরী সাংস্কৃতিক একাডেমী।
চা জাদুঘর- চা বাগানের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে টি বোর্ডের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে চা রিসোর্ট ও জাদুঘর গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের চা শিল্পের প্রায় দেড়শ বছরের প্রাচীন ইতিহাস এবং চা চাষ সম্পর্কিত সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ। পুরানো একটি বৃটিশ বাংলোকে আধুনিক রিসোর্টের রূপ দেয়া হয়েছে। চোখ জুড়ানো সবুজ চা বাগানে ঘেরা এই জাদুঘরে ব্রিটিশ শাসনামলে চা বাগানে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ব্রিটিশ বাংলোয় ব্যবহৃত শতাধিক আসবাপত্র, চা প্রসেসিং যন্ত্রপাতি, চা বাগানের ম্যানেজার ও চা শ্রমিকদের ব্যবহৃত জিনিস, প্রাচীন রৌপ্য ও তাম্য মুদ্রাসহ বিভিন্ন প্রাচীন নিদর্শন স্থান পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের স্মৃতি বিজড়িত একটি কক্ষ এই চা জাদুঘরের বিশেষ আকর্ষণ। ১৯৫৭-৫৮ সালে বঙ্গবন্ধু পাকিস্থান চা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে শ্রীমঙ্গলের নন্দবাড়ি চা বাগান পরিদর্শনে আসেন।
দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা-দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা জেলার গিয়াসনগরে অবস্থিত। সুদৃশ্য লেক এবং পাহাড়ের ওপর সবুজ বনানী পরিবেষ্টিত এই রিসোর্টটি অবকাশ যাপনের জন্য একটি আদর্শ স্থান।
হাকালুকি হাওর- মৌলভীবাজারের ৫টি উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মিঠা পানির জলাভূমি হাকালুকি হাওর। প্রায় ২৩৮ টি বিল ও ১০ টি নদীর সমন্বয়ে গঠিত এবং বর্ষাকালে এই হাওরের আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর। মাছের জন্য প্রসিদ্ধ হাকালুকি হাওরে শীতকালে অতিথি পাখিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে।
হামহাম জলপ্রপাত- কমলগঞ্জে রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হাম হামের অনিন্দ্য জলপ্রপাত। স্থানীয়দের কাছে এই ঝর্ণা চিতা ঝর্ণা হিসাবে পরিচিত, তাদের মতে এই জঙ্গলে আগে চিতা পাওয়া যেত। প্রায় ১৪০ফিট উঁচু এই ঝর্ণার বুনো সৌন্দর্য দেখার আনন্দ অন্যরকম। শীতকাল এই সৌন্দর্য্য দেখার উপযুক্ত সময়।
গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ- গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ একটি পাঁচ তারকা মানের রিসোর্ট শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত। সবুজ প্রকৃতি ও চা বাগানে ঘেরা শ্রীমঙ্গলের প্রায় ১৩.২ একর জায়গার ওপর এই রিসোর্টটি গড়ে তোলা হয়েছে। আট ধরণের বিভিন্ন মানের সুবিধাসহ এখানে সর্বমোট ১৩৫ টি কক্ষ রয়েছে।
খোজার মসজিদ- ৫০০ বছর আগে নির্মিত এই মসজিদ মৌলভীবাজার শহর থেকে ৫ কিমি দূরে মোস্তফাপুর ইউনিয়নের গরঘর গ্রামে অবস্থিত। মেঝে ও গম্বুজে টাইলস লাগানো। তিনটি বড় দরজা ও ছয়টি ছোট দরজা। ভেতরে পূর্ব দিকের দেয়ালে বাঘের পায়ের ছাপ রয়েছে। মসজিদটি ২৪ হাত দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে সমান। সুলতান শামসউদ্দীন ইউসুফ শাহের আমলে ১৪৭৬ সালে নির্মিত।
বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক- শহর থেকে ২ কিমি দূরে পাহাড়ি উঁচু নিচু টিলার উপরে নানা প্রজাতির বৃক্ষরাজির সমারোহে এই ইকোপার্ক গড়ে উঠেছে। ১৯১৬ সালে সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে ওঠে। এর পুরাতন নাম লাউডগা রিজার্ভ ফরেস্ট। ২০০৬ সালে ৮৮৭ একর অঞ্চল ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়। এখানে বিভিন্ন প্রাণী, পাখি রয়েঠে।
শাহ মোস্তফা মাজার- শাহ মোস্তফা ইরাকের বাগদাদে একটি ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বাড়িতে জন্ম ও বেড়ে ওঠেন।[ ১৩০৩ সালে শাহ জালালের নেতৃত্বে সিলেটের বিজয় অংশ নিয়েছিলেন। ইসলাম প্রচারের জন্য তিনি মৌলভীবাজার আসেন।
অন্তেহরী গ্রাম- রাজনগর উপজেলার অন্তেহরী গ্রাম বছরে ৬-৮ মাস জলমগ্ন থাকে।। এই গ্রাম উপজেলার কাওয়াদীঘী হাওড় সংলগ্ন। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির বাঁকে-বাঁকে নানা প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ যা এক অন্যরকম মোহনীয় গ্রামের প্রতিটি বাড়ির বাকে বাকে নানা প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ যা এক অন্যরকম মোহনীয় দৃশ্য। সারাগ্রাম পানির নিচে থাকলেও ছোট একটি বাজার আছে অন্তেহরী গ্রামে। ডিঙি নৌকা নিয়ে সেই বাজারে এসে জড় হন আশপাশের গ্রামবাসী। মনে হবে পানির ওপর ভাসমান কোনো এক জাহাজ।
এছাড়া রয়েছে শমশেরনগরে ডানকান লেক, শতবর্ষ পুরাতন ডাকবাংলো। মাধবকুন্ড এলাকায় রজনীকুন্ড, যামিনিকুন্ড. ত্রিপল ঝর্ণা।















No comments:
Post a Comment
Thank u very much