Showing posts with label Health. Show all posts
Showing posts with label Health. Show all posts

Wednesday, August 18, 2021

ত্বক ভালো রাখতে চাইলে মোটেও খাবেন না যে খাবারগুলো

 

ত্বক ভালো রাখতে চাইলে মোটেও খাবেন না যে খাবারগুলো


এড. মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁঞা(মিঠু)
আইনজীবী, জজকোর্ট ঢাকা/কুমিল্লা, বাংলাদেশ।

সুস্থ ত্বক সৌন্দর্যের প্রতীক। ত্বকের রঙ যেমনই হোক, ত্বক যদি ভালো থাকে তাকে দেখতে এমনিতেই ভালো লাগে। তাই ত্বকের রঙ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে ত্বক কীভাবে ভালো রাখা যায় তাই ভাবা উচিৎ। সে কারণেই ত্বকের যত্নে আমরা সব চাইতে বেশি কাজ করে থাকি। সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার রাখা, ত্বকের নানা সমস্যা থেকে ত্বককে মুক্ত রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন অনেকেই। কিন্তু আপনি জানেন কি, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার রয়েছে যা আপনার সকল চেষ্টা বৃথা করে দিচ্ছে? সুস্থ সুন্দর ত্বক পেতে চাইলে এই ধরণের খাবার থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকাই শ্রেয়। আজ চলুন তাহলে চিনে নিন ত্বকের জন্য ক্ষতিকর সেই খাবারগুলোকে।

অতিরিক্ত লবণ
অনেকেই খাবারে লবণ বেশি খান। আবার অনেকে খাবারের সাথে প্লেটে আলাদা করে খানিকটা লবণ নিয়ে নেন। এটি দেহের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর একটি কাজ। অতিরিক্ত লবণের সোডিয়াম দেহে বাড়তি লিক্যুইড তৈরি করে যা ত্বক ঝুলে পরার জন্য দায়ী। এছাড়াও এই বাড়তি লবণ ত্বকের নিচে এসে জমা হয়ে ত্বকের টিস্যু নষ্ট করে ফেলে। তাই অতিরিক্ত লবন আছে এমন খাবার যেমন, পাঁপড়, আচার, চিপস, টিনজাত খাবার খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দিন।

যে খাবারগুলো দেহকে পানিশূন্য করে
দেহে পানিশূন্যতা হলে ত্বকের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়ে, ত্বকে বলিরেখা পড়ে যায়। কফি, চিনি সমৃদ্ধ খাবার, ফ্রাইড খাবার, ফাস্ট ফুড ধরনের খাবার ইত্যাদি খেলে দেহে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়। তাই এই জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার
ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার অতিরিক্ত খাওয়া ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ক্যাফেইন দেহে কারটিসোল উৎপন্ন করে যা ত্বকের দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী। এবং ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে ত্বকে বয়সের ছাপ তথা বলিরেখা তৈরি করে। তাই ত্বকের সুস্থতা চাইলে খুব বেশি ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন না।

অ্যালকোহল
অ্যালকোহল এবং অ্যালকোহল সমৃদ্ধ খাবারের কারণে ভ্যাসোডিলাটেশন ঘটে সোরিয়াসিস তীব্র পর্যায়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের ফলে দেহে অ্যান্টি-ডিউরেটিক হরমোনের নিঃসরণ করে যা দেহকে ডিহাইড্রেট করে ফেলে। এতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

উচ্চমাত্রার গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ খাবার
যে কোনো ধরণের বেকড খাবার ও টিনজাত প্রসেসড খাবারে থাকে এই গ্লাইসেমিক উপাদান যা রক্তের সুগারের মাত্রার বিপুল তারতম্যের জন্য দায়ী। এতে করে অনেক বেশি ইনসুলিন ও আন্ড্রোজেনের নিঃসরণ ঘটে যা ত্বকের নিচে মেদ জমা, মৃত কোষ উৎপাদন এবং ত্বকের ব্রণের সমস্যা হতে সহায়তা করে।

অতিরিক্ত চিনি সমৃদ্ধ খাবার
চিনি সমৃদ্ধ খাবার অতিরিক্ত খাওয়া হলে তা ত্বকের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে থাকে। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে এটি ত্বকের নিচে রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা দেয়। এতে ত্বক নিষ্প্রাণ হয়ে যায়, ত্বকের ইলাস্টিসিটি নষ্ট হয়ে যায় এবং ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। শুধুমাত্র চিনিই নয়, অতিরিক্ত গুড় এবং মধু খাওয়াও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

বোতলজাত পানীয়
বোতলজাত যেসকল পানীয় আমরা সফটড্রিংকস হিসেবে পান করে থাকি তা আমাদের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হিসেবে ধরা যায়। ত্বক ঝুলে পড়া, ত্বকে বয়সের ছাপ ফেলা ইত্যাদির মূল কারণ খুব বেশি সফটড্রিংকস পান করা। এগুলো থেকে দূরে থাকুন।

লাল মাংস
লাল মাংস খাওয়া দেহের জন্য যতোটা ক্ষতিকর তেমনই ক্ষতিকর ত্বকের জন্যেও। লাল মাংস খেলে দেহে ইনফ্লেমেটরি রিঅ্যাকশান বেড়ে যায়। এছাড়াও লাল মাংসের স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট রেডিকেলে সৃষ্টি করে। তাই লাল মাংস থেকে দূরে থাকুন।

তেলে ভাজা খাবার এবং হাইড্রোজেনেটেড ফ্যাট
খুব বেশি তেলে ভাজা খাবার এবং হাইড্রোজেনেটেড ফ্যাট যেমন ঘি, চর্বি ইত্যাদি ফ্যাটি এসিডের অক্সিডাইজেশন ঘটায় এবং দেহের ভিটামিন ই ও ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নষ্ট করে দেয়। ফলে ত্বকের ইলাস্টিসিটি নষ্ট হয়ে যাওয়া, ত্বকের টিস্যু শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই খুব বেশি তেলে ভাজা খাবার থেকে দূরে থাকুন।

আর্টিফিশিয়াল চিনি, রঙ এবং ফ্লেভার
ক্যালরি কম খাওয়ার আশায় অনেকেই আর্টিফিশিয়াল চিনি খেয়ে থাকেন যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এবং এর পাশাপাশি আর্টিফিশিয়াল চিনি, রঙ এবং ফ্লেভারে যে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা ত্বকের টিস্যুর মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই এই জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন ত্বকের সুরক্ষায়।

Monday, July 5, 2021

হাঁটুর ব্যথা কমাতে সঠিক ডায়েট


হাঁটুর ব্যথা কমাতে সঠিক ডায়েট 


 হাঁটুর ব্যথা একটি পরিচিত সমস্যা। যাদের সবসময় এই ব্যথা থাকে একটু সিঁড়ি ভাঙলে কিংবা হাঁটলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। কারও কারও হাঁটু ব্যথা অল্প হয়, কারও বা বেশি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হাঁটুর ব্যথার জন্য অপারেশনেরও প্রয়োজন পড়ে। 

বয়স একটু বাড়লেই সকলের মধ্যে যে সমস্যা দেখা যায় তা হল হাঁটুর ব্যথা৷ সকলেই অল্প বিস্তর এই সমস্যার শিকার৷ তেল মালিশ বা এক্সারসাইজেও অনেক সময় হ্যাটুর ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যায় না৷ হাঁটুর ব্যথাকে বশে আনতে আপনার খাদ্যাভ্যাসকে সঠিক রাখতে হবে৷ শরীরের বৃদ্ধি নিয়ে হওয়া এক গবেষণায় দেখা গেছে ডায়েটের দিকে সামান্য খেয়াল রাখলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

কিন্তু এই ব্যথা যদি আর্থাইটিস, আঘাত পাওয়া কিংবা  সামান্য কারণে হয় তাহলে তা বাড়িতেই নিরাময় সম্ভব। তবে কি কারণে হাঁটু ব্যথা হচ্ছে সেটা জানার জন্য সবারই এক্স- রে করা প্রয়োজন।

 হাঁটুর ব্যথা নিরাময়ের অন্যতম সহজ পদ্ধতি হলো আক্রান্ত স্থানে বরফের ব্যবহার। এক টুকরা বরফ নিয়ে তা পাতলা একটা তোয়ালে দিয়ে মুড়িয়ে আক্রান্ত স্থানে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ঘষুন। দিনে ২ থেকে ৩ বার এটি করলে ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে। 

আপেল সিডার ভিনেগার হাঁটুর ব্যথা নিরাময়ে বেশ কার্যকরী। এক গ্লাস পানিতে ২ টেবিলচামচ  আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে কয়েক বার পান করুন। অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে এটা মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করুন। কিংবা পানির মধ্যে ভিনেগার মিশিয়ে ৩০ মিনিট পর হাঁটুতে লাগান। কয়েকদিন এটা করলে ব্যথা অনেকটা কমে যাবে। 

মরিচের গুড়াও হাঁটু ব্যথার জন্য বেশ কার্যকরী। এক কাপ হালকা গরম অলিভ অয়েলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মরিচের গুড়া মিশিয়ে হাঁটুতে ম্যাসাজ করুন। আর্থাইটিসের ব্যথায় যারা ভূগছেন তারা আরাম পাবেন। সপ্তাহে দুইদিন এটা লাগালে হাঁটুর ব্যথা অনেকটা কমে যাবে। 

হাঁটুর ব্যথা কমানোর আরেকটা পদ্ধতি আছে। কিছু আদা থেতলে নিয়ে পানির মধ্যে ১০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করুন। এরপর এতে সামান্য মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। দিনে ২ থেকে ৩ বার এই মিশ্রণটি পান করলে হাঁটুর ব্যথায় অনেকখানি আরাম বোধ করবেন। 

হাঁটুর ব্যথা নিরাময়ে কিছুটা হলুদ নিয়ে পানির মধ্যে ১০ মিনিট ভালভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করুন। আবার এক কাপ দুধের সঙ্গে হলুদ আর আদা মিশিয়ে খেলেও হাঁটু ব্যথা নিরাময় হবে । তবে হাঁটু ব্যথার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেলে হলুদ খাওয়া ঠিক নয়। 

অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকসময় হাঁটু ব্যথা হয়। এজন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। এছাড়া হাঁটুর জন্য যেসব ব্যয়াম আছে সেইগুলি নিয়মিত করলে ব্যথা অনেকটা কমে যাবে। 

• হাঁটুর ব্যথা কমাতে সবচেয়ে কার্যকরী হলো মাছ৷ মাছে এমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে৷ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বয়সজনিত হাঁটুর ব্যথা, পায়ে আড়ষ্ঠতা বা আর্থারাইটিসের মত সমস্যাকে দূরে রাখতে পারে৷
• কমলালেবুর রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি বর্তমান৷ ভিটামিন সি হাঁটুর ব্যথা সাড়াতে এক কার্যকরি ওষুধ৷ এছাড়াও এটি হাঁটুর অস্টিওআর্থারাইটিসের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে৷
• পালং শাক ও পেঁয়াজে প্রচুর পরিমামে লুটেইন ও জিয়াক্সঅ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে৷ এটি অস্টিওআর্থারাইটিসের ফলে হওয়া হাঁটুর ব্যথায় উপশম দিতে পারে৷ পেঁয়াজে কুয়েরসেটিন নামের একধরণের ফ্ল্যাভেনয়েড থাকে৷ এটিও হাঁটুর ব্যথা কমাতে কার্যকরি৷
• দাঁড়াতে বা হাঁটতে গেলে যে ধরনের হাঁটুর ব্যথা অনুভব হয় তা কমাতে সবচেয়ে কার্যকরি হল আদার রস৷ এছাড়াও রান্নায় আদা ব্যবহারের ফলেও হাঁটুর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
• গবেষণায় দেখা গেছে রিফাইন কার্বোহাইড্রেট প্রদাহের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে৷ তাই খাবারের তালিকা থেকে এই ধরনের কার্বোহাইড্রেট বাদ দিন৷
(সংগৃহীত)

Sunday, June 27, 2021

স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।
এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য
জীবন জীবনের জন্য।
 

 

 

Saturday, June 26, 2021

করোনা হলে যে উপায়ে ঘরোয়া চিকিৎসা নিবেন

 




গলা ব্যথা-ই হউক বা কাশি হউক বা সর্দি জ্বর হউক নিয়ে নিন এ পদ্ধতিতে চিকিৎসাঃ---

১) লেবু, আদা, তেজপাতা, লং, এলাচি, দাড়চিনি, একটি পরিস্কার ডেকচিতে পানিতে ফুটাতে থাকুন ১৫ মিনিট। সাথে আস্তা লেবু ২টা।

২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে গরম বাষ্প

নাক দিয়ে লম্বা টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে কমপক্ষে

৫ মিনিট। এভাবে দৈনিক ৪ থেকে ৫ বার গ্রহন করুন।


৩) তারপর এই ফুটন্ত লেবু, আদা, তেজপাতা ইত্যাদির

মিক্স গরম পানি চা'য়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন।


৪) নাপা এক্সটেন্ড জাতীয় ঔষধ খেতে পারেন।


৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন কমপক্ষে দৈনিক দু'বার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহন করুন যতোবেশী নিতে পারেন নিন তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন।

৬) আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে প্লেটে রাখুন। একটু পরপর মুখে দিন।

৭) গরম দুধ, গরম চা, কফি গ্রিন টি আধা ঘন্টা পর পর পান করুন। কোনভাবেই গলা শুষ্ক রাখা যাবেনা।

আপনার 'কী রোগ হলো' আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেননা

ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না।

মনে রাখবেন মনোবলই হচ্ছে আসল কথা। বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়। মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ

ক্ষমার কমে যায়, তাই মনোবল চাংগা রাখার জন্যে আপনার

যা ভালো লাগে তাই করবেন।


উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ২ দিন চিকিৎসা নিলে এটা

পরীক্ষিত সত্য যে তৃতীয় দিনের দিন আপনার করোনা

ভাইরাস কোভিড-১৯ পজিটিভ নেগেটিভ হতে বাধ্য।

ইনশাআল্লাহ। আপনি সুস্থ হয়ে অবশ্যই এটি শেয়ার করে

অন্যকে সুস্থ হতে সহযোগিতা করুন।

আল্লাহ আপনার আমার সবার সহায় হোন। আমিন।

┈┉┅━❀🍃🌸🍃❀━┅┉┈