Showing posts with label Food & Drink's. Show all posts
Showing posts with label Food & Drink's. Show all posts

Sunday, August 22, 2021

শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ করে যেসব খাবার



 


শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ করে যেসব খাবার


 (এড. মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁঞা(মিঠু)

আইনজীবী, জজকোর্ট ঢাকা/কুমিল্লা, বাংলাদেশ।)

শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য রক্ষা জন্য যেসব খনিজ প্রয়োজন তার মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পটাশিয়াম। এটা হৃদপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক এবং পেশীর টিস্যুর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুব প্রয়োজনীয়।


রক্তে পটাশিয়ামের ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরনের মাথাব্যথা, বুক ধড়পড় এবং অন্যান্য অনেক প্রকারের জটিল সমস্যা হয়। দিনে কতখানি পটাশিয়াম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এটা সবারই জানা প্রয়োজন।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীর ভাল রাখতে দিনে ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার মিলিগ্রাম পটাশিয়ামের প্রয়োজন। খাবার কিংবা সাপ্লিমেন্ট ওষুধ খেয়ে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা সাপ্লিমেন্টের চেয়ে পটাশিয়ামসৃদ্ধ খাবার খাওয়াটাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। 


এক কাপ সাদা শিমের বিচিতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পটাশিয়াম এবং ৬৭৩ ক্যালরি থাকে। এটা প্রতিদিনের চাহিদার প্রায় ১০৪ ভাগ পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।


এ কাপ বরইতে ১ হাজার ২৭৪ মিলিগ্রাম পাটাশিয়াম এবং ৪১৮ ক্যালরি থাকে। যা শরীরের প্রতিদিনের পটাশিয়ামের ঘাটতির শতকরা ৩৬ ভাগ পুরণ করে। এছাড়া ভিটামিন এ থাকায় বরই দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে এবং চোখের নানা রোগ সারাতে সাহায্য করে।


এক কাপ পালং শাকে ১৬৭ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম এবং শতকরা ৭ ভাগ ক্যালরি থাকে। পালং শাক আয়রনেরও দারুণ উৎস। এটি চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখে এবং রক্তশূন্যতা  পূরণে সাহায্য করে। 


কলাতে ৪৮৭ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম এবং ১২১ ক্যালরি থাকে। এটি প্রাণশক্তি বাড়াতেও দারুন কাজ করে। এতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায়। 


মিষ্টি আলুও পটাশিয়ামের দারুন উৎস। এতে ৪৪৮ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ১১৪ ক্যালরি  থাকে। গাজরের রসে ৬০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৪৬ ক্যালরি থাকে। শরীরের পটামিয়ামের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত গাজর খেতে পারেন। এছাড়া ডাবের পানি, দই, বাদাম এগুলোও শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে সহাযতা করে। নিয়মিত পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেলে হার্ট ভাল থাকবে, মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করবে। এছাড়া এ ধরনের খাবার হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।



Tuesday, August 10, 2021

জেনে নেওয়া যাক লেবুপানি খাওয়ার কিছু উপকারি গুনাগুন:

 

লেবু পানি খাওয়ার উপকারিতা


এড. মোঃ ছোহরাব হোসেন ভূঁঞা(মিঠু)
(আইনজীবী, জজকোর্ট ঢাকা/কুমিল্লা, বাংলাদেশ)


লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পেক্টিন থাকে। আঁশজাতীয় এই পদার্থ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ওজন কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাবারে এমন অম্লজাতীয় খাবার কম থাকে তাদের ওজন বাড়ে বেশি।লেবুর শরবতের কথা আমরা সবাই জানি, কিন্তু এর উপকারিতা সম্পর্কে কি জানি? সকাল সকাল হালকা গরম পানিতে লেবু  মিশিয়ে পান করে দিনটি শুরু করলে সেটি হয়ে উঠবে অনেক প্রানবন্ত ও স্বাস্থ্যকর। 


জেনে নেওয়া যাক লেবুর কিছু উপকারি গুনাগুন:


হজমে সহায়ক:

শরীর থেকে অযাচিত পদার্থ এবং টক্সিন বের করে দেয় লেবুর রস। আমাদের হজমের জন্য ব্যবহৃত লালা এবং পাচক রসের সাথে বেশ মিল আছে এর গঠন এবং কাজের। আর যকৃত থেকে হজমে সহায়ক এক ধরণের পদার্থ নিঃসরণেও এটি সহায়তা করে।


ডাইইউরেটিক হিসেবে কাজ করে:

শরীরে মূত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং এর মাধ্যমে খুব দ্রুত ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়া মূত্রনালীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও এটি সহায়ক।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

লেবুতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও লৌহ, যা ঠাণ্ডা জ্বর জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে ভীষণ কার্যকর। এতে আরও আছে পটাসিয়াম, যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যাসকরবিক এসিড প্রদাহ দূর করে এবং অ্যাজমা বা এ জাতীয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়। এছাড়াও কফ কমাতে সাহায্য করে লেবু।


শরীরের পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে:

শরীরের অম্ল-ক্ষারকের মাত্রা ঠিক রাখে লেবু। লেবু হজম হয়ে যাবার পর কিন্তু আর অম্লীয় থাকে না, ক্ষারীয় হয়ে যায়। ফলে এটি রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের অম্লতা বাড়তে দেয় না। অম্লতা বেড়ে গেলেই দেখা দেয় রোগ।


ত্বক পরিষ্কার করে:

ত্বকের কুঞ্চন এবং দাগ দূর করে লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য খুব দরকারি হল ভিটামিন সি। ব্রণ বা অ্যাকনি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এটি দূর করে। আর ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও এটি কার্যকরী।


আপনার মন ভালো করে দেয়:

সকালেই প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িয়ে দিতে এর জুড়ি নেই। খাবার থেকে শক্তি শোষণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় লেবু। আর এর গন্ধে আপনার মন ফুরফুরে হয়ে উঠবে নিমিষেই। দুশ্চিন্তা এবং বিষন্নতা দূরীকরণেও এটি অসামান্য।


নিঃশ্বাসে আনে তরতাজা ভাব:

লেবুর রস নিঃশ্বাসে সতেজতা আনা ছাড়াও, এভাবে গরম পানির সাথে লেবুর রস পানে দাঁতের ব্যথা এবং জিঞ্জিভাইটিসের উপশম হয়। তবে এটা পানের পরপরই দাঁত ব্রাশ করবেন না, কারণ সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে ফেলে। আগে দাঁত ব্রাশ করে তারপর এটা পান করা ভালো। আর লেবুপানি পান করার পর বিশুদ্ধ পানি খেতে পারেন এক গ্লাস।


শরীরে তরলের পরিমাণ ঠিক রাখে:

রাতে ঘুমানোর সময়ে যে পানি খরচ হয় সেটা পূরণ হয়ে যায় সকাল সকাল এই এক গ্লাস লেবু পানি পানের মাধ্যমে।


ওজন কমাতে সহায়ক:

লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পেক্টিন থাকে। আঁশজাতীয় এই পদার্থ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ওজন কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাবারে এমন অম্লজাতীয় খাবার কম থাকে তাদের ওজন বাড়ে বেশি।


গর্ভবতী নারীদের জন্য লেবুপানি খুবই উপকারী:

লেবুপানি দেহের ভাইরাস ধ্বংস করে ও হাড়ের টিস্যু মজবুত করে। এবং একই সময়ে লেবুর পটাশিয়াম উপাদান বাচ্চার মস্তিস্কের ও নার্ভতন্ত্রের কোষ সবল করতে সাহায্য করে। সুতরাং, গর্ভবতী নারীদের জন্য বেশ উপকারী এই লেবুপানি।


অতএব, আমাদের সকলের উচিত ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস উষ্ণ লেবুর পানি পান করা।

Sunday, July 4, 2021

শরীরের মেদ কমাতে জিরার উপকারিতা


শরীরের মেদ কমাতে জিরার উপকারিতা 


জিরার যে এত জারিজুরি তা কি জানেন? না না, রান্নার কথা বলছি না।ঝোলে-ডালে-অম্বলে,সবেতেই সে আছে। কখনও পাঁচফোড়নে, কখনও তেজপাতার সঙ্গে ফোড়ন দিতে, কখন শুধুই জিরাবাটা, কখনও আবার আদার
সঙ্গে একসঙ্গে বাটা।রান্নায় জিরার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধুই যে রান্নায় সুগন্ধের জন্য জিরা ব্যবহার হয়, তা কিন্তু নয়। স্বাস্থ্যের
কথা ভেবেও আমরা রান্নায় জিরা দিই।

স্পাইসি এই মশালা যে আপনার শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরাতেও ওস্তাদ, সে খোঁজ কি রাখেন? হাতের কাছে ক্যালেন্ডার থাকলে, জাস্ট দিনটি দেখে নিয়ে গোল্লা পাকান।

ধৈর্য ধরে ১৫টি দিন দেখুন। এর মধ্যে রোজ নিয়ম করে এক চামচ গোটা জিরা খেয়ে ফেলুন। একদিনও বাদ দেবেন না। তার আগে আর একটি কাজ আপনাকে করতে হবে।নিজের ওজন নিয়ে, লিখে রাখুন। ১৫দিন পর ফের ওজন নিন। নিজেই অবাক হয়ে যাবেন। কলা দিয়ে জিরা খেলেও ওজন ঝরবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গোটা জিরা খুব দ্রুত শরীর থেকে ওজন ঝরাতে সক্ষম।

শুধু যে চর্বি বের করে দেয়, তা কিন্তু নয়। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে, যারা ওজন কমানোর জন্য জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছেন, একবার ১৫ দিনের জন্য জিরার ওপর ভরসা রাখতে পারেন। নিরাশ হবেন না। গবেষকরা বলছেন, জিরার মধ্যে রয়েছে থাইমল ও অন্যান্য কিছু
তেলের উপস্থিতি। যার কাজ হলো লালা নিঃসরণকারী গ্রন্থিকে উত্তেজিত করা। যার ফলে খাবার ভালো হজম হয়। এ ছাড়াও জিরার গুণে
পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, হজমের গন্ডগোল হলে, জিরা দিয়ে চা খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। এক গেলাস পানিতে এক চামচ জিরা দিন। ভালো করে ফুটিয়ে নিন। পানির রং লালচে হয়ে এলে, গ্যাস বন্ধ করে, পাত্রটি চাপা দিয়ে রাখুন। একদম ঠান্ডা হওয়া অবধি অপেক্ষা করুন। এই জিরা চা দিনে তিন বার খেলে, হজমশক্তি বাড়বে। পেটে ব্যথা কমবে। 
কী ভাবে জিরা খাবেন?
এক: একটা গেলাসে বড় চামচের দু-চামচ গোটা জিরা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি গরম করে, জিরা না ছেঁকে চায়ের মতো খান। মুখে গোট জিরা পড়লে, ফেলবেন না। চায়ের মতো কয়েক দিন পান করুন, দেখবেন ওজন কমছে।
দুই: যদি দেখেন, উপরের দাওয়াই আপনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করছে না, তা হলে দ্বিতীয় উপায়ের
আশ্রয় নিন। খাবারে জিরার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। দইয়ের সঙ্গেও জিরা খেতে পারেন। ৫ গ্রাম
দুইতে এক চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত খান।
ওজন নিশ্চিত ভাবেই কমবে। তিন: কয়েক চামচ মধু ও তিন গ্রাম জিরা গুঁড়ো এক গেলাস পানিতে ভালো
করে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই মিশ্রণটি খান। স্যুপ তৈরি করে, এক চামচ জিরাগুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও ভালো কাজ দেবে। চার: পাতিলেবু ও রসুনও ওজন ঝরাতে খুব ভালো দাওয়াই। গাজর ও অন্যান্য
সবজি সেদ্ধ করে নিয়ে, রসুন কুচি ও লেবুর রস ঢেলে দিন। তাতে কিছুটা জিরার গুঁড়ো মেশান। রোজ রাতে
খেয়ে, ম্যাজিক পরিবর্তন দেখুন। ১৫ দিনে পরেই বুঝতে পারবেন আপনার ওজন কমেছে।

 


Sunday, June 27, 2021

"শিউলি ফুলের চা"

 
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি - "শিউলি চা"। হ্যাঁ ঠিক দেখেছেন। শিউলি চায়ের গুণাবলী আমি নিচে দিলাম। এরপর থেকে আপনারাও শুরু করে দিন এই মজার চা দিয়ে দিনটা।
শরৎ ও হেমন্তের ফুল শিউলি। এই সময়ে শিশির ভেজা সকালে গাছের তলায় ঝরে থাকা শিউলি মন ভালো করে দেয় নিমিষেই। ছোটো আকারের কমলা সাদার মিশ্রণে এই ফুলের মিষ্টি গন্ধে চারিদিক ম ম হয়ে ওঠে। আনন্দে নেচে ওঠে মন।
কেবল মিষ্টি গন্ধ আর মন ভালো করে দেওয়া রঙের জন্যই শিউলি সবার প্রিয়; তা কিন্তু নয়। এর পেছনে আরও কারণ আছে। কারণ বহু ঔষধি গুণে ভরপুর শিউলি ফুল। চলুন জেনে নেই শিউলি ফুলের উপকারিতা—
—ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে শিউলি গাছের দু-তিনটি পাতা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। মুখে দিয়ে ভালো করে চিবিয়ে যতটুকু রস পাওয়া যায় তা খেয়ে নিন। রস খেয়ে বাকি অংশ ফেলে দিন। আপনার কাশিতে যদি কফ বের হয় তবে এর চেয়ে ভালো ওষুধ বাজারে খুব বেশি নেই। এর রস যদিও অত্যন্ত তেতো প্রকৃতির, কিন্তু তা নিয়মিত খেলে কাশির তীব্রতা তো কমবেই, গায়েব হবে কফের চিহ্নও।
—সাইটিকার ব্যথা কমাতে শিউলির পাতা কার্যকর। কয়েকটি শিউলি পাতা ও আরও কয়েকটি তুলসী পাতা একসাথে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর তা ছেঁকে প্রতিদিন ১ চামচ করে সকাল ও সন্ধ্যায় নিয়মিত খান। আপনার সায়াটিকা ব্যথা থাকলে তা কমতে শুরু করবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যথা দূর হবে।
—প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দু'টি শিউলি পাতা ও দু'টি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ব্যথা কমবে।
—শিউলির চা পান করলে জ্বর কমে। শুনে অবাক হচ্ছেন? দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতা বেটে খেলে রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটিলেটের সংখ্যা বাড়ে।
—শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত শিউলি ফুল ও পাতার নির্যাস খান। কারণ এতে শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ হয়।
—ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ শিউলিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী।
—মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে? চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনার জন্য আছে শিউলি ফুল। শিউলির তেল মাথায় ব্যবহার করলে মাথায় নতুন চুল গজায়।
—আপনার যদি কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায় তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুই বার কয়েকদিন খেয়ে নিন। উপকার পাবেন।
—আপনার কি ক্রিমির সমস্যা আছে? উত্তর যদি হয় হ্যাঁ, তবে দেরী না করে শিউলি পাতার রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েক দিন খান। সমস্যার সমাধান পাবেন।
—যাদের শরীরে মেদ জমে গেছে, ব্যায়াম করেও ভালো ফল পাচ্ছেন না, তাদের জন্য দারুণ খবর হলো— শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।