Wednesday, August 4, 2021

রহীম শাহের লেখা কবিতা "বীর পুরুষ"




বীরপুরুষ 

রহীম শাহ

মা বলেছেন, খোকন তুমি ঘরের কোণে থাকবে না 

জগৎটাকে দেখবে যদি মনকে বেঁধে রাখবে না। 


পাহাড় সাগর বন পেরিয়ে 

সকল বাধা যাও এড়িয়ে,

ছুটবে তুমি ছুটবে কেবল পেছন দিকে ফিরবে না। 


পড় যদি সাগর-মাঝে

থাকবে যে মীনরাজের সাজে,

যতই পড় ঝড়ের মুখে তীরে কভু ভিড়বে না। 


হাজার পাহাড় ঠেলে ঠেলে 

ছুটবে তুমি হেসে-খেলে, 

মনে মনেও বলবে না যে ছুটতে তুমি পারবে না। 


সামনে আবার দত্যি এসে 

ভয় দেখাতে এলে শেষে

হাতের মুঠোয় ভরবে তাকে ছল করলেও ছাড়বে না। 


এই পৃথিবী দেখার শেষে 

যেতে পার তারার দেশে, 

উঠবে যখন ওপর দিকে নিচের দিকে নামবে না।


ভয় দেখাতে বারেবারে 

সূর্য আগুন ঢালতে পারে,

ছুটবে তুমি ছুটবে কেবল ঘামবে তবে থামবে না। 


গ্রহে গ্রহে ঘুরে ঘুরে

হাজার তাজার মুঠোয় পুরে--

নেবে যখন, তোমার পাশে ঠিকই ছুটে আসবে মা;


উজল আলোয় চোখটা রেখে 

চমকাবে এক দৃশ্য দেখে, 

বিশ্বটাকে জয় করা এই বীরকে দেখে হাসবে মা।



Tuesday, August 3, 2021

মেহেদী হাসানুল হকের লেখা কবিতা "আজ শোক নয়"

 

আজ শোক নয়..

মেহেদী হাসানুল হক


আজ শোক নয়
আজ বাঙ্গালী জাতির সাহসের দিন 
আজ শোক নয়
আজ দেশ গড়ার শপথের দিন। 
আজ শোক নয় 
আজ পনেরই আগস্টের অঙ্গীকার 
আজ শোক নয় 
আজ বাংলাদেশের মানুষের হুংকার। 
আজ শোক নয়
আজ প্রতিবাদ প্রতিরোধের দিন
আজ শোক নয়
আজ শোধ করবো বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ।

      ০৩/০৮/২০২১

কাজী শেলীর লেখা কবিতা "বঙ্গবন্ধু"

 


বঙ্গবন্ধু

কাজী শেলী


কথায় গানে বঙ্গবন্ধু
সুরে তালে ছন্দে
সাত-ই মার্চের সেই ভাষণে
উদ্দিপনা রন্ধ্রে।

নারী-পুরুষ নাই ভেদাভেদ
মহা মিলন মেলা
রেসকোর্সের ঐ মাঠে সেদিন
কাটছে সারাবেলা। 

সেই ভাষণে গর্জে উঠলো
কাঁপলো বাংলার মাটি 
কামান-বন্ধুক ছিল না হায়
ছিলো বাশেঁর লাঠি।

হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান
সবাই এক ছিলো 
সাত-ই মার্চের ভাষণ শুনে 
দৃঢ় শপথ নিলো।

মুজিব বর্ষে আবার সবাই
জেগে উঠি আরো
পরাজিত শক্তিরা সব
জলদি বাংলা ছাড়ো।



এস.এম.রাসেল হাসান এর লেখা কবিতা "কে বলেরে মুজিব নাই"

 

কে বলেরে মুজিব নাই

এস.এম.রাসেল হাসান


কে বলেরে মুজিব নাই ? 
মুজিব... 
তুমি আছো নদী মাতৃক দেশে
প্রতিটি পাল তোলা নৌকায়,
তুমি আছো বাংলার কৃষকের লাঙ্গল-কাস্তে
আর প্রতিটি ফসলের ডগায়।
তুমি আছো প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাদের নিঃস্বাসে
তুমি আছো শহীদের রক্তে
তুমি আছো বিরঙ্গনা নারীর ইজ্জতে।
তুমি আছো কোটি মানুষের বিশ্বাসে,
বাংলার প্রতিটি নগর- বন্দরে।

কে বলেরে মুজিব নাই ? 
মুজিব...
তুমি আছো শ্রমিকের শ্রমে
তুমি আছো বণিকের শিল্পে
তুমি আছো রাখাল ছেলের গল্পে
তুমি আছো বিপ্লবি জনতার শাণিত কন্ঠে
তুমি আছো নিপিড়িত শোষিত মানুষের অন্তরে
তুমি আছো প্রতিটি নিষ্পাপ শিশুর ধ্বনিতে।

কে বলেরে মুজিব নাই ? 
মুজিব...
তুমি আছো দেশ জুড়ে দিগন্তে
ঢেউ খেলানো ফসল আর বাংলার বিলে,
তুমি আছো এ দেশের কৃষকের মুখের হাসিতে
কোটি কোটি বাঙ্গালির হৃদয় স্পন্দে
কে বলেরে মুজিব নাই
মুজিব সারা বাংলায়।

তাপস বিশ্বাসের লেখা কবিতা "তুমি ভোবো না পিতা"


 



তুমি ভেবো না পিতা

তাপস বিশ্বাস


আজ আকাশের মন ভালো নেই
পুঞ্জিভূত ব্যথায় ভারাক্রান্ত সে
বাতাসের চোখেও বেদনার জল,
তোমার রক্তাক্ত দেহের দিকে তাকিয়ে
দীর্ঘশ্বাসের ছোঁয়ায় দিশেহারা প্রাণীকুল।
পাখিদের বুকে বইছে কালবৈশাখী ঝড়
তাদের কণ্ঠে গান নেই আজ
আছে করুণ আহাজারি, কষ্টের কাকলি।
রক্তজবার লালে মিশেছে তোমার বুকের রক্ত
রজনীগন্ধার পাপড়ি যেন কাফনের কাপড়,
বিমর্ষ ফুলেরা বিলাপে ব্যাকুল
'পিতা নেই, বঙ্গবন্ধু নেই'।
.
খুনির খুন এখনো গরম
হিংসার আগুনে টগবগিয়ে ফোটে,
ট্রিগারে আঙুল চেপে চুপিসারে চলে আততায়ী
বর্ণচোরা হয়ে মিশে থাকে জনারণ্যে
মৃত তোমাকে আবার মারবে বলে।
কী অপরাধ ছিল তোমার ?
বজ্রকণ্ঠে তুমি জাগিয়ে তুলেছিলে
মুক্তিকামী বাঙালির মুক্তির চেতনা
এটাই কি অপরাধ ?
প্রচণ্ড ভূমিকম্পে কাঁপিয়ে দিয়েছিলে
অত্যাচারী শোষকের ঘৃণিত আস্তানা
এটাই কি অভিযোগ ?
চিহ্নিত দেশদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা দিয়ে
টেনে নিয়েছিলে তোমার বিশাল বুকে
এটাই কি ছিল ভুল ?
জানি, উত্তর পাবো না কারো কাছে।
.
চোখের জলে কেউ ডুবে আছে অনন্তকাল
দুঃখে, কষ্টে ভেঙে খানখান হয়েছে কারো বুক,
শোকাহত সহযোদ্ধা পবিত্র পাগল হয়ে
তোমার স্মৃতিচারণ করছে রাস্তায় রাস্তায়
কোটালীপাড়ার শেখ সেকেন্দারের মতো ;
কোটি কোটি শিশুর হাহাকার হয়ে
বাংলার পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শেখ রাসেলের অতৃপ্ত আত্মা।
অনুশোচনার পরশ পাথরের ছোঁয়ায়
এতটুকু খাঁটি হয় না তবু নরপিশাচের অন্তর,
ইতিহাসের কোনো গোপন গর্তে লুকিয়ে থেকে
চক্রান্তের নতুন জাল বুনে যাচ্ছে তবু
অস্পৃশ্য সরীসৃপ, নিন্দিত নরাধম;
বারবার পরাজিত হয়েও নেচে যায়
রক্তবীজ নামের নগ্ন দৈত্য।
.
প্রিয়তম পিতা
দুচোখ মেলে তাকিয়ে দেখো একবার
বেশিরভাগ ফসল নষ্ট হয়নি আজও
তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলায়।
নতুন কুঁড়িদের আগমনে উদ্দীপ্ত ফুলের বাগান
কিশোর-কিশোরীর চোখে চকচকে রোদ,
শোকেরা আজ শক্তির প্রতীক
তোমার পদচিহ্ন, পথের দিশারি।
তুমি ভেবো না পিতা
আবার আসে যদি অশুভ সময়
তোমার অস্তিত্ব মুছে দিতে চায় কেউ,
আকাশ, বাতাস, প্রাণী আর ফুলেদের দিব্যি
তোমার স্বপ্নের দিব্যি,
লাল-সবুজ পতাকার দিব্যি
লাখো শহিদের রক্তের দিব্যি,
সম্ভ্রমহারা মা-বোনের দিব্যি
সত্যের সার্থক সুনামি হবে তাহলে
ফুঁসে উঠবে পবিত্র জলরাশি,
প্রচণ্ড জলোচ্ছ্বাসে চিরতরে ভেসে যাবে
সব ময়লা, সব আবর্জনা
পুণ্যস্নান ক'রে শুদ্ধ হবে বাংলা মা।

ভারতীয় কবি নরেশ মন্ডলের লেখা কবিতা "বাসি রুটি ও ভোর নামচা"


 

      বাসি রুটি ও ভোর নামচা 

               নরেশ মণ্ডল

কোনো রাতে ট্রেন মিশ হলে
ফিরে আসি প্ল্যাটফর্মের বেঞ্চে
পা তুলে খকখক করে কাশি
বাসি রুটি  বের করে চিবোই
পেট তো লকডাউনের বাইরে
আটকে গেলে ফেলে যাওয়া
জলের বোতল থেকে ঢক ঢক
গলায় ঢেলে খাকারি দিয়ে সাফ করে
আবার বাকি টুকরোগুলো গলাধঃকরণ
এ ভাবেই বেশ তো ছিল
হঠাৎ ছড়ালে রোগ, মহামারী
আমরা কি পারি।
ভদ্দরলোকে এ ভাবে পা তোলে না
খকখক করে কাশেও না
মুখে সুগন্ধী রুমাল, ঢাকা মাস্ক
মাস্ক কবে গেছে
কনুই দিয়ে কাশা ময়লা জামায়
কত ছড়ানো বিষ
কতটা দূরত্বে বসে আছি
আমরা কি পারি।

ট্রেনের শব্দ শুনতে পাচ্ছো
পুব আকাশে আলোর রেখা
আমরা সবাই সকাল থেকে
সবুজ গাছ হয়ে ছড়িয়ে পড়ি
শিশুরা থাকুক আমাদের জড়িয়ে
এক একটা শিশুর এক একটা গাছ।



Monday, August 2, 2021

আহমেদ রাজিবের লেখা কবিতা" দৃষ্টিকোণ"



 দৃষ্টিকোণ

আহমেদ রাজিব


আমরা দুজনে দুজনের জায়গায় থেকে ঠিক,
আবার দুজনে দুজনার দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল-
সত্যিটা কি জানো? তুমি চোখ বুজে অনুভব কর উত্তর পেয়ে যাবে।
তুমি আরো আরো আরো বেশি করে অনুভব করো
তুমি চোখ খুললে আমি আমার চোখ  বন্ধ করবো।
আমরা আসলে কে? আমাদের সম্পর্কটা আসলেই কি?
দুজনের দুজন পায়ে পায়ে ধরি দোষ-
হাটতে গেলে চলন বাঁকা,হাসতে গেলে হিসেব কষা।
আমরা আমাদের ছোট ছোট ভুল গুলো ফুল ভাবতে পারিনা
আমাদের সুখ গুলো ভাগ করি ঠিকই দুঃখ গুলো ভাগাভাগি করে নেই না,
যেখানে দুজনের সুখের অমিল জগৎ হলেও দুঃখের দিনে
কাঁধে হাত দিয়ে নির্ভরতা কণ্ঠস্বরে-
"সব কিছু ধ্বংস হোক আমি আছি তোমার পাশে"
মুহুর্তেই সব প্রলয় ঝড় মাড়িয়ে দেখতে উদাস্ত রক্তিম সূর্য্যি হাসি।
তুমি আরো আরো আরো বেশি অনুভব করতে থাকো-
আমাদের ভালোবাসাতে কোন ঘাটতি ছিলো না,
ঘাটতি ছিলো আমাদের দৃষ্টিকোণের বাচন ভঙ্গী।
দুজন দুজনকে চিনতে পারিনি এটাই বড় ব্যর্থটা
তাই দুজনের মাঝের দূরত্ব জমে জমে অভিমানের পাহাড় গড়েছে
যে পাহাড়ের এপাশে-ওপাশে দুজনের বসবাস।
দুজন দুজনের দৃষ্টিকোণ পাল্টাতে পারিনি
অদৌ কি দুজন দুজনকে এখনও ভালোবাসি?

আলাউদ্দিন লাভলুর লেখা কবিতা "এই কি স্বাধীনতা!"

 


এই কি স্বাধীনতা!

....আলাউদ্দিন লাভলু


এই শহরে পথে পথে অনাহারি মানুষের সারি।
ক্ষুধার বিষাক্ত কামড়ে তারা শুধু গোঙায়
আর গোঙায়।
তাদের এই গোঙ্গানী ইট পাথর আর কংক্রিটের দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয়,
তা এই শহরের মানুষের কানে পৌঁছায় না।
তাদের পেটের জ্বালায় চোখে নামে 
অশ্রুর কুয়াশা।
এরা পথের মানুষ।
এ কেমন জীবন?
ঠিক যেন পথের এই জেব্রাক্রসিং,
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত,
তাতে সাদা অংশ খুব কম।
রাস্তায়ফুটপাতে সন্তান কোলে কঙ্কালসার মা
হাড় জির জিরে মায়ের কোলে 
ততোধিক দূর্বল শিশু।
শূন্য থালা হাতে পথের ধারে ভিক্ষুক
ফুটপাতে কুকুরের সঙ্গে শুয়ে থাকা মানুষ।
পেটের জ্বালায় তারাশুধু গোঙা আর গোঙায়,
তাদের সামনেই কত ঝুটে ভাত ফেলে যায়।
পথের এই মানুষদের গোঙানীর শব্দ শোনার ফুরসত তাদের নেই।
এগুলো মানব সৃষ্ট ক্ষত।
এইক্ষত যেন আমাদের নিঃশব্দে ধিক্কার দিয়েবলে যায়,
এই কি স্বাধীনতা?

Sunday, August 1, 2021

ইমরান খান রাজের লেখা কবিতা "প্রতিশ্রুতি"

 


প্রতিশ্রুতি 

ইমরান খান রাজ 


সবকিছু মনে রাখা হবে। 
আমার প্রতি তোমার না বোধক উত্তরগুলো 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 

সবকিছু মনে রাখা হবে। 
তোমার অবহেলা আর মিথ্যা অভিযোগগুলো 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 

সবকিছু মনে রাখা হবে। 
তোমার মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয়টা 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 

সবকিছু মনে রাখা হবে। 
প্রথম দেখার সেই মিথ্যে মুচকি হাসিটা 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 

সবকিছু মনে রাখা হবে। 
তোমার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিগুলো 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 

সবকিছু মনে রাখা হবে। 
হঠাৎ তোমার পরিবর্তনের কথা 
মনে রাখা হবে আরো কিছুকাল। 


কঠোর বিধি নিষেধের নাটকে জনজীবন ক্ষতিগ্রস্থ

 

কতকাল চলবে এই কঠোর বিধি-নিষেধের নাটক?

ফারহানা হৃদয়িনী////  গার্মেন্টস কর্মীদের জীবনকে বিপন্ন করে তাদের গরু ছাগলের মত হেটে বা ট্রাকে চড়ে ঢাকা পৌঁছাতে বাধ্যকরা এক ধরনের মানবতা বিরোধী অপরাধের মধ্যে পড়ে।  গার্মেন্টস মালিকদের উচিত ছিলো আগে তাদের কর্মীদের ফিরিয়ে আনার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করা তারপর ফিরে আসার নির্দেশনা দেওয়া। এত সুবিশাল কর্মী গোষ্ঠীকে কঠোর বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে এতটা পথ ফিরতে হলে পথে তাদের যে কত ভোগান্তী পোহাতে হবে এটা সবাই জানতো তবুও দ্বিতীয় বারের মত সেই একই অপরিকল্পিত নির্দেশনা দেওয়া হলো।



সরকারের দেওয়া কঠোর বিধি নিষেধ অমাণ্য করে ছোট খাট ব্যবসায়ীরা দোকান খুললে বা একজনের জায়গা দুজন বাইরে বের হলেই যেখানে সাধারণ জনগণকে জরিমানা গুণতে হলো,  সেখানে এসব বড় বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য সরকার নিজেই স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে বিপন্ন করার জন্য কঠোর বিধি নিষেধের ভিতরেও গার্মেন্টস কর্মীদের কাজে যোগদান করার জন্য অনুমতি দিলো। এখন যারা এই গার্মেন্টস কর্মীদের এমন জীবনবাজি রেখে বাহিরে ছুটতে বাধ্য করলো তাদের জন্য সরকারীভাবে কত টাকা জরিমানার ব্যাবস্থা করা হবে? বড় বড় ব্যবসায়ীরা তাদের বিজনেস চালু রাখলে করোনা কেন ছড়াবে না? আর ছোটখাট ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মেরে দিনের পর দিন তাদের ক্ষতি গ্রস্থ করে কঠোর বিধি নিষেধের নাটক আর কতকাল চলবে?